এই কবিতাগুলো কোনও একজন সম্পাদক নিতে চাননি। কেন, তা আমার অজানা।
যদিও ওনাকে সমস্যায় ফেলার কোনো ইচ্ছে আমার নেই।
তবে এগুলো আর কোনো পত্রিকাকে আমি দেব না, এ সিদ্ধান্তই নিলাম।
১.
যেকোন জিনিসের 'প্রাপ্তিস্থান' হয় না
অথচ এরকম বহু দরকারী জিনিস আছে
যেমন -- স্তন যোনি অথবা ঠোঁট কোমর পাছা
ঘুম পেচ্ছাব পায়খানা
রোদের দিকে চেয়ে থাকলে
অন্য দিকে কী যে হয়!
ঘুম অথবা না-ঘুমের আওয়াজ
চারদিকে ফেটে যাচ্ছে এত
যে,
অপ্রাপ্তবয়স্কদেরও পাখি লাগছে
প্রাপ্তবয়স্করা (এখন) গরুড়
২.
আমার মোট দশটা আঙুল থেকে
তার বেরিয়ে যাচ্ছে
ক্রমশ বেরিয়ে যাচ্ছে তার
তারের পাক বাড়ছে ক্রমশ
আমার চোখ কান নাক মুখ
গলা বুক কোমর পাছা ধীরে ধীরে
মুড়ে গেল
ফোন বাজছে |
আঙুলগুলো কাজ করছে না
ফোন বেজেই যাচ্ছে
কে যেন স্যুইচ অন করতেই
আমার সারা শরীরে রিংটোন বেজে চলল
যতক্ষন না
আমি রিসিভারে পরিণত হলাম
৩.
চাঁদকে পয়সা বললে
সামান্য ঊনিশ-বিশ হয়
মধ্যরাত বরাবর কাচের জানলা
বিরাজ করে
নতুন সম্ভার।। অনেক কবিতা অনেক সময় সত্যি প্রকাশ ক'রে না।।। সম্পাদক।।।। কালের নিয়ম বলে অথচ তারা-ই টিকে যাবে।।। ভীষণ ভালো লাগলো প'ড়ে।।।
উত্তরমুছুনধন্যবাদ
উত্তরমুছুনধন্যবাদ
উত্তরমুছুনঊনিশ আর বিশে তফাৎ মাত্র এক রাণা।এক কি মৌলিক?
উত্তরমুছুন